Skip to content

ইউনিলিভার বাংলাদেশের হেড অব লিগ্যাল হলেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ যোবায়ের

Published:

Average read time: 2 minutes

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) আবদুল্লাহ যোবায়েরকে হেড অব লিগ্যাল, বাংলাদেশ এবং হোম কেয়ার জেনারেল কাউন্সেল, বাংলাদেশ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

আবদুল্লাহ যোবায়ের-এর পোর্ট্রেট ছবি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নিত্যব্যবহার্য পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) আবদুল্লাহ যোবায়েরকে হেড অব লিগ্যাল, বাংলাদেশ এবং হোম কেয়ার জেনারেল কাউন্সেল, বাংলাদেশ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে তাঁর নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্ট কমিটিতেও যুক্ত হয়েছেন।

নতুন দায়িত্বে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশের আইনবিষয়ক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন এবং ব্যবসা, কর্পোরেট সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কৌশলগত আইনি পরামর্শ দেবেন।

যোবায়ের ২০২১ সালের আগস্ট মাসে সিনিয়র লিগ্যাল কাউন্সেল হিসেবে ইউনিলিভার বাংলাদেশে যোগ দেন। বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি এ পদে কর্মরত ছিলেন। এফএমসিজি ও টেলিযোগাযোগ খাত এবং স্বাধীন আইন পেশায় তাঁর ১৬ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ‘লিংকনস ইন’ থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

ইউনিলিভার বাংলাদেশে কর্মরত অবস্থায় যোবায়ের গুরুত্বপূর্ণ মামলা, সালিশ ও বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে জটিল নিয়ন্ত্রক পরিবেশে কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করেছেন। পণ্য ব্যবহারের পর সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা (ইপিআর), পণ্যের মানদণ্ড ও শ্রম আইন পরিপালনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ন্ত্রক নীতিবিষয়ক অ্যাডভোকেসি এবং শিল্পখাতের অংশীজনদের সঙ্গে সম্পৃক্ততায়ও তিনি অবদান রেখেছেন।

এ ছাড়া, আইনবিষয়ক কার্যক্রমে ডিজিটালাইজেশন ও প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন, যা উৎপাদনশীলতা ও সেবা প্রদানের মান উন্নত করেছে। তিনি ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং কোম্পানির কর্পোরেট সুশাসন ও বিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে সহায়তা করেছেন।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল কুদ্দুস খান বলেন, “আইন বিষয়ে যোবায়েরের বিস্তৃত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আমাদের ব্যবসা ও কার্যপরিবেশ সম্পর্কে তাঁর সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। আইন ও বিধিবিধানসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রমে সুশাসন জোরদারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দায়িত্বশীলভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে তাঁর অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

Back to top