Skip to content
ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬™ উপলক্ষে ইউনিলিভার পার্সোনাল কেয়ারের ইন-স্টোর ডিসপ্লেতে ডাভ, রেক্সোনা ও এক্স।

স্থিতিশীলতা থেকে প্রবৃদ্ধি: ইউনিলিভারের এআই-নির্ভর সাপ্লাই চেইনের ভেতরের গল্প

Published:

ইউনিলিভারের পার্সোনাল কেয়ারের চিফ প্রোডাক্ট সাপ্লাই চেইন অফিসার ভিকি কাথবার্ট জানান, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে প্রতিদিন সঠিক সময়ে সঠিক পণ্য পৌঁছে দিতে একটি বিশাল ও সুসংগঠিত সাপ্লাই চেইনকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। আর ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬™-এর মতো বৈশ্বিক আয়োজনে সেই কাজ আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

ইউনিলিভার পার্সোনাল কেয়ারের চিফ প্রোডাক্ট সাপ্লাই চেইন অফিসার ভিকি কাথবার্ট।
ইউনিলিভার পার্সোনাল কেয়ারের চিফ প্রোডাক্ট সাপ্লাই চেইন অফিসার ভিকি কাথবার্ট।

ইউনিলিভারের বিশ্বমানের সাপ্লাই চেইন ব্যবসার প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দ্রুত ইনোভেশন, আরও দক্ষ অপারেশন এবং ক্রমেই পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এটি ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে।

এ বিষয়টি বাস্তবে কীভাবে কাজ করে, তা জানতে আমরা কথা বলেছি ইউনিলিভারের চিফ প্রোডাক্ট সাপ্লাই চেইন অফিসার, পার্সোনাল কেয়ার, ভিকি কাথবার্টের সঙ্গে।

চিফ সাপ্লাই চেইন অফিসার হিসেবে আপনার অগ্রাধিকার কী?

প্রতিদিন শত শত কারখানা থেকে জটিল বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইউনিলিভারের পণ্য পৌঁছে যায় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে।

তাই আমার মূল লক্ষ্য হলো আমাদের কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, দক্ষ ও পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার উপযোগী করে তোলা। এজন্য আমরা আমাদের কর্মী, এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছি, যাতে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়, দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় এবং ভোক্তাদের চাহিদা সহজেই পূরণ করা যায়।

আজকের ভোক্তাদের চাহিদার পরিবর্তনও আগের চেয়ে অনেক দ্রুত। যেখানে আগে চাহিদার চক্র কয়েক মাস ধরে চলত, এখন তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যেতে পারে।

এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমরা আমাদের সাপ্লাই চেইনের গতি ও সক্ষমতা বাড়িয়েছি। যেমন, কোনো একটি আইডিয়া থেকে সেটিকে পাইলট পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সময় কমিয়ে ১২ সপ্তাহে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও পূর্বাভাস-নির্ভর কাস্টমার অপারেশন এবং শক্তিশালী ডিজিটাল সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে।

ডাভ x ক্রাম্বল-এর ওয়ালমার্ট কোলাবোরেশন সেই সক্ষমতার-ই দৃষ্টান্ত। সোশ্যাল লিসেনিংয়ের মাধ্যমে পাওয়া ভোক্তাদের আগ্রহ থেকেই সীমিত সংস্করণের এই পণ্যটি আনা হয়েছিল। এরপর ভোক্তাদের সরাসরি প্রতিক্রিয়া ও চাহিদার সংকেতের ভিত্তিতে পণ্যটির পুনরায় সরবরাহ, উৎপাদন এবং নতুন ভ্যারিয়েন্ট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফলে এটি ওয়ালমার্টের অন্যতম সফল ইনোভেশন লঞ্চে পরিণত হয়।

সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা কী এবং কীভাবে তার মানোন্নয়ন করা সম্ভব?

সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা মানে শুধু কোনো সমস্যা এলে তা সামলে নেওয়া নয়। বরং আগে থেকেই সম্ভাব্য পরিবর্তন বা ঝুঁকি বুঝতে পারা এবং দ্রুত তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া।

গত ১০০ বছরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি থেকে শুরু করে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে আমাদের সাপ্লাই চেইন।

এসব অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আরও বেশি নমনীয় ও স্থিতিশীল সাপ্লাই চেইন তৈরি করেছি। এর মধ্যে রয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাওয়া এবং সাপ্লাই চেইনের ডিজিটাল রূপান্তরে বড় মাপের বিনিয়োগ।

আজ এআই আমাদের চাহিদা ও সরবরাহের পূর্বাভাস আরও নির্ভুলভাবে দিতে সাহায্য করছে। আর ‘ডিজিটাল টুইনস’, অর্থাৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ার কম্পিউটারভিত্তিক সিমুলেশন, উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ করছে এবং জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করছে।

লজিস্টিকসের ক্ষেত্রেও আমরা বিভিন্ন ডিজিটাল টুল ব্যবহার করছি, যাতে পুরো কার্যক্রম সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ও নির্ভুল ধারণা পাওয়া যায়। আমাদের তৈরি করা টেক ইকোসিস্টেমের ফলে সম্ভাব্য সমস্যাগুলো আরও আগেই শনাক্ত করা, বিভিন্ন পরিস্থিতি বিবেচনা করা এবং দ্রুত ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ও ফিউচার-ফিট থাকা সম্ভব হচ্ছে।

একটি বৈশ্বিক রিটেইল ক্যাম্পেইন সফল করতে সাপ্লাই চেইন কীভাবে কাজ করে?

ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬™-কে ঘিরে ইউনিলিভার ১২০টিরও বেশি দেশে ৩৫টি ব্র্যান্ডের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিপুল চাহিদা সময়মতো পূরণ করাই ছিল আমাদের অন্যতম বড় দায়িত্ব। সেই উদ্দেশ্যে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে আমরা ১৮০টি সীমিত সংস্করণের পণ্য তৈরি করেছি এবং সেগুলো পৌঁছে দিয়েছি বিশ্বের লাখ লাখ রিটেইল লোকেশনে, যাতে ভোক্তারা ঠিক সময়ে, ঠিক জায়গায় তাদের পছন্দের পণ্য পান।

এত বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রথম কাজ হলো নিখুঁত পরিকল্পনা।

কোন ব্র্যান্ড কোন পণ্য বাজারে আনবে, তা জানার পর নিশ্চিত করতে হয় প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, উৎপাদন সক্ষমতা এবং লজিস্টিকস ব্যবস্থা প্রস্তুত আছে কি না।

এরপর শুরু হয় বাস্তবায়নের কাজ, যাতে সঠিক পণ্য, সঠিক সময়ে, সঠিক রিটেইলারের কাছে পৌঁছে যায়। এর মাঝে ছিল বড় বড় রিটেইল চেইনের পাশাপাশি লাখ লাখ ছোট ‘মম অ্যান্ড পপ’ স্টোরও। সেই সঙ্গে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়া, ইন-স্টোর, আউটডোর এবং টিভি ক্যাম্পেইন। বিশ্বজুড়ে ৫০,০০০-এরও বেশি ক্রিয়েটররা যুক্ত ছিলেন এই কার্যক্রমে।

এরকম বড় পরিসরের কার্যক্রমে যেকোনো সময় পণ্যের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। তাই পরিকল্পনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো মুহূর্তের পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬™ ফাইনালের পরের ঘটনা ছিল আরও চমকপ্রদ।

ফাইনালের বিজয়ী দলের জন্য কোন স্পেশাল এডিশন পণ্য তৈরি হবে, তা জানার অপেক্ষায় ছিলাম আমরা। আর ফাইনালের মাত্র কয়েক দিন পরেই বিশেষ ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নস’ রেক্সোনা ডিওডোরেন্ট স্পেনে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।

এভাবেই প্রতিটি ধাপে সমন্বিত সক্ষমতা নিশ্চিত করে বিভিন্ন মার্কেটে প্রতিদিন পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে ইউনিলিভার।

ইউনিলিভারের রেফোর্ড ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে ডিজিটাল টুইনের তথ্য দেখানো স্ক্রিনে কাজ করছেন এক উৎপাদনকর্মী।
ভোক্তার চাহিদা বদলালে কীভাবে দ্রুত সাড়া দেওয়া হয়?

আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিই ভোক্তাদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকার ওপর। কেননা চাহিদা যত দ্রুত বদলাবে, সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তত দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।

মেক্সিকোতে ওয়ালমার্ট-এর সঙ্গে আমাদের এআই-নির্ভর কাস্টমার কানেক্টিভিটি মডেল ফোরকাস্ট ও সেলস ডেটাকে একসঙ্গে যুক্ত করছে। এর মাধ্যমে ভোক্তার কেনাকাটার তথ্য সরাসরি পণ্যের কাঁচামাল সংগ্রহের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। একটি পাইলট প্রকল্পে এর ফলে ৯৮%-এর বেশি পণ্যের শেলফ অ্যাভেইলেবিলিটি নিশ্চিত হয়েছে, পাশাপাশি কমেছে ইনভেন্টরি এবং বেড়েছে ক্যাটাগরি গ্রোথ।

চীনেও আমরা সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াচ্ছি। চীনের হেফেইতে আমাদের ফ্যাক্টরি-টু-কনজিউমার অপারেশন ৪০০টিরও বেশি পণ্যের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৩১,০০০ অর্ডার পরিচালনা করছে। এর ফলে অর্ডার পূরণের গতি ৭৫% বেড়েছে এবং লজিস্টিকস খরচ কমেছে প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

এআই কীভাবে সাপ্লাই চেইনকে বদলে দিচ্ছে?

এআই আমাদের আরও বড় পরিসরে এবং আরও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করছে। তবে তার অর্থ এই নয় যে প্রযুক্তিই সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

মানুষের অভিজ্ঞতা, বিচারবোধ এবং পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এআই ও ডেটা আমাদের আরও বেশি তথ্য বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে, কিন্তু শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের অভিজ্ঞতাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর একটি উদাহরণ হলো আমাদের ফোরকাস্ট ইঞ্জিন ইউটিলিটি।

মেশিন লার্নিং ও ডেটা সায়েন্সের সমন্বয়ে তৈরি এই ব্যবস্থা প্রতি সপ্তাহে ৪০টি অপারেটিং মার্কেটে ৫০ লাখেরও বেশি প্রোডাক্ট-কাস্টমার কম্বিনেশনের জন্য ১০৪ সপ্তাহের পূর্বাভাস তৈরি করে।

এআই-এর ব্যবহার উৎপাদনেও বাস্তব পরিবর্তন আনছে। হেফেইতে এআই-এর মাধ্যমে ওভারঅল ইকুপমেন্ট এফেক্টিভনেস (OEE) ৮% বেড়েছে এবং বর্জ্য ২০% কমেছে।

অন্যদিকে, ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬™-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য উৎপাদন করা যুক্তরাষ্ট্রের রেফোর্ড, নর্থ ক্যারোলাইনার ফ্যাক্টরিতে ডিজিটাল টুইনস ব্যবহারের ফলে পার্সোনাল কেয়ার পণ্যের মান আরও উন্নত হয়েছে। একই সঙ্গে বর্জ্য ২০% কমেছে এবং উৎপাদন সক্ষমতা ১০% বেড়েছে।

ইউনিলিভারের যুক্তরাষ্ট্রের রেফোর্ড ফ্যাসিলিটির সামনের প্রবেশপথ, পতাকাদণ্ড ও সবুজে ঘেরা প্রাঙ্গণ।
ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে ভবিষ্যতের সাপ্লাই চেইন কেমন হবে?

আমরা এখন শুধু আলাদা আলাদা কাজে এআই ব্যবহার করার জায়গা থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছি। লক্ষ্য হলো, পুরো সিস্টেমকে একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত করা।

গুগল ক্লাউডের সঙ্গে আমাদের পাঁচ বছরের পার্টনারশিপ-এর মাধ্যমে এমন একটি এন্টারপ্রাইজ-ওয়াইড ডিজিটাল ব্যাকবোন তৈরি হবে, যা ডেটাকে ইনসাইটে রূপান্তর করবে এবং ব্যবসার বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আরও স্মার্ট ও স্বয়ংক্রিয় কাজের সুযোগ তৈরি করবে। উৎপাদন ব্যবস্থাও আরও বেশি পূর্বাভাস-নির্ভর ও পরিস্থিতিভিত্তিক হয়ে উঠবে।

আমরা আগামী ১৮ মাসে আমাদের নেটওয়ার্কজুড়ে ৪০টিরও বেশি এআই-নির্ভর ডিজিটাল টুইনস চালু করছি যার মাধ্যমে সম্ভাব্য সমস্যাগুলো আরও আগে শনাক্ত করা, বিভিন্ন পরিস্থিতি দ্রুত সিমুলেট করা এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।

আমাদের সাপ্লাই চেইনে এআই-এর ব্যবহার করা হচ্ছে, এটা সবচেয়ে বড় সুযোগ নয়, বরং আমাদের কাজের পদ্ধতিকে নতুন করে এমনভাবে সাজানো, যাতে মানুষ ও এআই একসঙ্গে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

  • সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা কী এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    সাপ্লাই চেইনের স্থিতিস্থাপকতা হলো, ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রেখে সম্ভাব্য বাধা বা সংকট আগে থেকে অনুমান করা, প্রস্তুতি নেওয়া, দ্রুত মোকাবিলা করা এবং পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা। ইউনিলিভারের মতো শক্তিশালী সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো অনিশ্চয়তার মধ্যেও গ্রাহকসেবা ও কার্যক্রমের দক্ষতা বজায় রাখতে পারে। ফলে বাজারের অস্থির পরিস্থিতিতেও আয় ও শেয়ারহোল্ডারদের মূল্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়।

  • আধুনিক সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় এআই কী ভূমিকা পালন করে?

    সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় এআই এমন একটি বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর হিসেবে কাজ করে, যা দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। আর মানুষের অভিজ্ঞতা ও বিচারবোধ দেয় প্রয়োজনীয় প্রেক্ষাপট ও দিকনির্দেশনা। ইউনিলিভারের মতো বড় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে এআই এমন বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, যা মানুষের পক্ষে হাতে-কলমে করা সম্ভব নয়। ফলে সাপ্লাই চেইন আরও পূর্বানুমাননির্ভর হয়ে ওঠে এবং বাজারের অস্থিরতা ও কার্যক্রমে সম্ভাব্য বাধা মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়ে।

  • বড় পরিসরের রিটেইল কার্যক্রমের সময় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে সাপ্লাই চেইনের জটিলতা সামলায়?

    বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ভুল পরিকল্পনা, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বড় পরিসরের কার্যক্রমে সাপ্লাই চেইনের জটিলতা সামলায়। এসব প্রযুক্তি চাহিদার পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬™-এর অফিশিয়াল পার্সোনাল কেয়ার স্পনসর হিসেবে, ইউনিলিভার ১২০টিরও বেশি দেশে ৩৫টি ব্র্যান্ডের ১৮০টি লিমিটেড-এডিশন পণ্য এবং লাখো রিটেইল লোকেশনে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এমন সুবিশাল উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য মার্কেটিং, সাপ্লাই চেইন, প্রোকিউরমেন্ট ও রিটেইল পার্টনারদের মধ্যে ছিল নিখুঁত সমন্বয় ও একযোগে কার্যসম্পাদন।

Back to top