এফএমসিজি, টেলিকমিউনিকেশনস এবং প্রাইভেট প্র্যাকটিসে তাঁর ১৬ বছরেরও বেশি আইনি অভিজ্ঞতা রয়েছে। লিগাল স্ট্র্যাটেজি, বিরোধ নিষ্পত্তি, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স, কমপ্লায়েন্স এবং কর্পোরেট গভর্ন্যান্সে তাঁর রয়েছে বিস্তৃত দক্ষতা। তিনি লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অ্যাডভোকেট। গ্লোবাল নির্দেশনাকে কার্যকরভাবে স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন এবং ব্যবসার প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির সুনাম সুরক্ষিত রাখতে বাস্তবসম্মত আইনি সমাধান দেওয়ার মাধ্যমে তিনি একজন বিশ্বস্ত বিজনেস অ্যাডভাইজার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ইউনিলিভার বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে যোবায়ের ইউনিলিভারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব তৈরি করা বেশ কয়েকটি উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি কোম্পানির জটিল বিরোধসংক্রান্ত পোর্টফোলিও পরিচালনা করেছেন এবং লিটিগেশন, আরবিট্রেশন ও অলটারনেটিভ ডিসপিউট রেজল্যুশনের কৌশল নির্ধারণের মাধ্যমে আইনি ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি ইউনিলিভার এবং ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)-সহ বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি বডির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ রেগুলেটরি অ্যাডভোকেসিতেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর মধ্যে এক্সটেন্ডেড প্রোডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর), বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম আইন-এর মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি লিগাল ফাংশনের ডিজিটালাইজেশন ও সিমপ্লিফিকেশন এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রোডাক্টিভিটি, কাজের ধারাবাহিকতা এবং সার্ভিস ডেলিভারি উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যোবায়ের কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এবং কোম্পানি সেক্রেটারিয়াল বিষয়ে বিস্তারিত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এ দায়িত্বে তিনি বোর্ড ও শেয়ারহোল্ডার গভর্ন্যান্সে সহায়তা করেছেন। বর্তমান ভূমিকায় তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশ এবং এর গ্রুপ প্রতিষ্ঠানগুলোর লিগাল এজেন্ডায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং সাসটেইনেবল প্রবৃদ্ধির কৌশলগত বিজনেস পার্টনার ও সহায়ক হিসেবে লিগাল ফাংশনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করছেন।
